চাঁদার জন্য কয়লা বোঝাই নৌকা আটক, থানায় অভিযোগ দায়ের
- প্রকাশের সয়ম :
শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২০
-
১৫৬
বার দেখা হয়েছে

তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ)সংবাদদাতা।। সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার নৌ পথের কয়লা বোঝাই নৌকা নিয়ে যাওয়ার সময় তাহিরপুর উপজেলার চিহ্নিত চাঁদাবাজ আবুল খায়ের চাহিদা মত চাদা না দেয়ার অপরাধে আজ ২ দিন যাবৎ ওই কয়লা বোঝাই নৌক আটকে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ওই কয়লা বোঝাই নৌকার মালিক উপজেলার তরং শ্রীপুর গ্রামের কয়লা ব্যাবসায়ী হীরা মিয়া বাদী হয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আবুল খায়ের এর বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এ ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের পাঠলাই নদীতে। থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের গোলকপুর গ্রামের গোলেনুর মিয়ার ছেলে আবুল খায়ের নিজেকে ক্ষমতাসীন দলের নেতা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলার সীমান্ত নদী পাঠলাইয়ে চাঁদাবাজী করে আসছে। শুধু তাই নয়! তার নেতৃত্বে তাহিরপুর উপজেলার নৌ পথের বেশ কয়েকটি স্থানে জোপুর্বক চাঁদা আদায় করা আসছে একটি চাঁদাবাজ চক্র ।
এর ধারাবাহিকতায় গতকাল ১২ মার্চ চারাগাঁও শুল্ক স্টেশন থেকে মের্সাস এস.পি এন্টারপ্রাইজ ৩০ টন কয়লা বোঝাই করেএকটি স্টীলবডি নৌকা পাঠলাই নদী দিয়ে বৈঠাখালী বাঁধের এলাকায় যাওয়ার সময় আবুল খায়ের সহ ১০/১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্র ওই কয়লা বোঝাই নৌক আটক করে। পরে নৌকায় থাকা লোকদের অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করে। এ সময় নৌকায় থাকা লোকজন তাদের চাহিদা মত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ওই চাঁদাবজ চক্রের গডফাদার আবুল খায়ের এ সময় উত্তেজিত নৌকায় থাকা লোকদের মারপিট করাসহ শারীরিক নির্যানত করে। এবং ওই কয়লা বোঝাই নৌক আটক করে রাখে।
পরে তাৎক্ষনিক বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদেরকে অবগত করার পর কোন সুষ্ঠু সমাধান না পেয়ে ওই দিনেই কয়লা ব্যাবসায়ী হীরা মিয়া চাঁদাবাজ আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে থানায় একটি চাঁদাবাজি অভিযোগ দায়ের করে । স্থানীয় বেশ কয়েকজন কয়লা ও চুনাপাথর ব্যাবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, একের পর এক চাঁদাবাজি ও হুন্ডি ব্যাবসার অভিযোগ দিলেও আবুল খায়ের নিজেকে ক্ষমতাসীন দলের নেতা পরিচয়ে প্রকাশ্যেই চালিয়ে যাচ্ছেন পাঠলাই নদীর স্থানে স্থানে চাঁদাবাজি। আমার বৈধ টাকা দিয়ে বৈধ ব্যাবসা করি। কিন্তু ওই চাঁদাবাজ চক্রটিকে নদীপথে স্থানে স্থানে অবৈধ চাঁদা দিতে হয়। তাও আবার অতিরিক্ত। আমার ব্যবসায়ীরা ওইসব চাঁদাবজ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি চাই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছের এর সুষ্ঠ তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
তাহিরপুর থানা ওসি মো: আতিকুর রহমান চাঁদাবাজীর বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, এর তদন্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Please Share This Post in Your Social Media